Sale!

জাপানিজ খাটো ও ঝোপালো জাতের ঢেঁড়স বীজ এর ইন্টেক প্যাকেট

Original price was: ৳ 850.Current price is: ৳ 490.

👉 খুব সহজে ৪ থেকে ৫  লিটার এর বালতিতে  ছাদবাগানীরাও চাষ করতে পারবেন।

📦 ইন্টেক প্যাকেটে বীজের পরিমাণ : ৫০ গ্রাম ।

    • • সারা বছর চাষ করা যায়।
      • গাছ আকারে ছোট ও ঝোপালো এবং গরম ও বৃষ্টিতেও ভালো টিকে থাকে।
      • ইয়েলো ক্লিয়ার ভেইন ও ইয়েলো মোজাইক ভাইরাস সাধারণত দেখা যায় না।
      • বপনের ৩৫–৩৮ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়।
      • অন্যান্য ছোট জাতের তুলনায় বেশি ফলন দেয়।
      • ফলের রং সবুজ এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪–১৬ সেমি।
      • ফলে কাঁটা না থাকায় হাত দিয়ে সহজেই সংগ্রহ করা যায়।
      • সংগ্রহের পরও ২–৩ দিন পর্যন্ত ফল টাটকা ও চকচকে থাকে। 🌱

আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?

  • Done পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • Done সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
  • Done সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি
Categories: ,

এই উন্নত জাতের ঢেঁড়স বীজ এর বৈশিষ্ট্যঃ

১. বপনের সময়: সারা বছর চাষ করা যায়।

২. গাছের আকার: গাছ আকারে ছোট ও ঝোপালো এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও বৃষ্টিতেও ভালোভাবে টিকে থাকতে পারে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: ইয়েলো ক্লিয়ার ভেইন ভাইরাস বা ইয়েলো মোজাইক ভাইরাস রোগ সাধারণত দেখা যায় না।

৪. ফল সংগ্রহের সময়: বপনের ৩৫–৩৮ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়।

৫. ফলন: অন্যান্য ছোট জাতের তুলনায় বেশি ফলন দেয় এবং দেখতে আকর্ষণীয়।

৬. ফলের বৈশিষ্ট্য: ফলের রং সবুজ এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪–১৬ সেমি

৭. সংগ্রহ করা সহজ: ফলে কাঁটা না থাকায় হাত দিয়ে খুব সহজেই সংগ্রহ করা যায়।

৮. তাজা থাকার ক্ষমতা: সংগ্রহের পরও ২–৩ দিন পর্যন্ত ফল টাটকা, চকচকে ও কচি থাকে। 🌱

হাইব্রিড ঢেঁড়সের চাষ পদ্ধতি-

জলবায়ু ও মাটিঃ

ঢেঁড়সের জন্য অপেক্ষাকৃত উচ্চ তাপমাত্রা প্রয়োজন। শুষ্ক ও আর্দ্র উভয় অবস্থায় ঢেঁড়স জন্মানো যায়। সাধারণত খরিপ মৌসুমেই এর চাষ হয়ে থাকে। দোআঁশ মাটি ঢেঁড়সের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট। প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করতে পারলে যেকোন ধরণের মাটিতেও এর চাষ করা যায়। মাটি সুনিষ্কাশিত হওয়া প্রয়োজন।

বীজের হারঃ প্রতি একরে ২ কেজি। প্রতি শতাংশ জমিতে ২০ গ্রাম ।

জমি নির্বাচন ও তৈরিঃ সেচ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাসহ উচু জমি নির্বাচন করে ৫/৬ বার চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। মাঠে সরাসরি বীজ বপনের জন্য ১ মিটার প্রস্থ বেড তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি দুটি বেডের মাঝখানে ৩০ সেমি প্রস্থ নালা রাখতে হবে। বেড সাধারণত ১৫-২০ সেমি উঁচু হবে।

বীজ বপনের পদ্ধতি ও দূরত্বঃ বীজ বপনের পূর্বে ২৪ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে নিলে অঙ্কুরোদগম ভাল হয়। এক্ষেত্রে সারি থেকে সারি ৪৫ সেমি এবং প্রতি সারিতে ৩০ সেমি পর পর বীজ বপন করা হয়। ২-৩ সেমি গভীরে প্রতি গর্তে ২ টি করে বীজ বপন করতে হবে এবং চারা গজানোর ৭ দিন পর সুস্থ চারাটি রেখে বাকিটা তুুলে ফেলতে হবে। বীজ বপনের পর প্রয়োজনীয় সেচ্ আবশ্যক।

সারের পরিমাণ ও প্রয়োগের নিয়মঃ ( শতক প্রতি সার)

সারের নাম শতক প্রতি সার
কম্পোস্ট ৭৫ কেজি
ইউরিয়া ২৩০ গ্রাম
টিএসপি ৩৫০ গ্রাম
পটাশ ২৩০ গ্রাম

অন্যান্য পরিচর্যাঃ সময়মত নিড়ানী দিয়ে আগাছা পরিস্কার করে সাথে সাথে মাটির চটা ভেঙ্গে দিতে হবে।
খরা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী সেচ্ দিতে হবে।

জমি তৈরি করার সময় ইউরিয়া সার বাদে বাকি সব সার মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মেশানের ১০-১৫ দিন পর জমিতে ঢেঁড়শ বীজ বপন করতে হয়। ইউরিয়া সার সমান দু‘কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করতে হয়। প্রথম কিস্তিতে চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর এবং ২ য় কিস্তিতে দিতে হবে চারা গজানোর ৪০-৫০ দিন পর।

সেচঃ মাটির প্রকার ভেদ অনুযায়ী ১০/১২ দিন পর পর সেচ দেয়া প্রয়োজন। প্রতি কিস্তিতে সার প্রয়োগের পর জমিতে সেচ দিতে হবে।

আগাছাঃ সেচ ও সার দেবার পর জো আসা মাত্র আগাছা বাছাই। চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর আগাছা দমন করতে হবে। গাছ খুব ঘন থাকলে পাতলা করে দিতে হবে।

আবহাওয়া ও দুর্যোগঃ অতি বৃষ্টির কারনে জমিতে পানি বেশি জমে গেলে নালা তৈরি করে তাড়াতাড়ি পানি সরানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

পোকামাকড়ঃ

  •  ফ্লি বিটল পোকা- সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার  অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
  • ঢেঁড়শের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা- আক্রমণ বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার  অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে  মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার।
  • শোষক পোকা/ হোপার/ শ্যামা পোকা- আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) অথবা কারবারাইল জাতীয় কীটনাশক (যেমন সেভিন ২০ গ্রাম) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষোধ পাতার নিচের দিকে যেখানে পোকা থাকে সেখানে স্প্রে করতে হবে।
  • লেদা পোকা- আক্রমণ বেশি হলে এমামেক্টীন বেনজোয়েট জাতীয় কীটনাশক ( যেমন প্রোক্লেইম ১০ গ্রাম) অথবা সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন-রিপকর্ড ১০ তরল অথবা সিমবুশ ১০ তরল ২০ মিলিলিটার / ৪ মুখ) প্রতি ১০ লিটার পানিতে  মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করতে হবে।
  • ঢেঁড়শের জাব পোকা- আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।
  • ঢেঁড়শের পাতা মোড়ানো পোকা- পোকা দমনের জন্য ফেনিট্রথিয়ন জাতীয় কীটনাশক (যেমন সুমিথিয়ন বা ফলিথিয়ন ২০ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করুন।

রোগবালাইঃ

  •  ঢেঁড়শের পাতার দাগ রোগ- ম্যানকোজেব অথবা ম্যানকোজেব + মেটালক্সিল জাতীয় বালাইনাশক (যেমন: রিডোমিল গোল্ড ২০ গ্রাম প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে) ৭-১০ দিন পরপর ৩ বার স্প্রে করুন।
  • ঢেড়ঁশের আগাম ধ্বসা রোগ- ম্যানকোজেব অথবা ম্যানকোজেব + মেটালক্সিল জাতীয় বালাইনাশক (যেমন: রিডোমিল গোল্ড ২০ গ্রাম প্রতি ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে) ৭-১০ দিন পরপর ৩ বার স্প্রে করুন।
  • পাউডারি মিলডিউ রোগ- সালফার জাতীয় ছত্রাক নাশক (যেমন কুমুলাস ৪০ গ্রাম বা গেইভেট বা মনোভিট ২০ গ্রাম) অথবা কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন: গোল্ডাজিম ৫ মিলিটার বা এমকোজিম বা কিউবি বা কমপ্যানিয়ন ২০ গ্রাম) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর আক্রমণের শুরু থেকে মোট ২-৩ বার প্রয়োগ করুন।
  • গোড়া পচা রোগ- কার্বান্ডিজম জাতীয় ছত্রানাশক (যেমনঃ এমকোজিম ৫০; অথবা গোল্ডাজিম ৫০০ ইসি ১০ মিলি /২ মুখ ) ১০ লি পানিতে মিশিয়ে ৭ দিন পরপর ৩ বার গাছের গোড়ায় ও মাটিতে স্প্রে করুন। আক্রমণ বোশি হলে প্রথম থেকে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল মিশিয়ে স্প্রে করুন।
  • শুটি মোল্ড- পোকা দমনের জন্য ফেনিট্রথিয়ন জাতীয় কীটনাশক (যেমনঃ সুমিথিয়ন বা ফলিথিয়ন ২০ মিলিলিটার) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করুন এবংছত্রাক দমনে প্রপিকোনাজল জাতীয় বালাইনাসক (যেমন টিল্ট ২৫০ ইসি ৫ মিলিলিটার) প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করুন।
  • ডাঊনি মিলডিউ রোগ- ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক ( যেমনঃ রিডোমিল গোল্ড ২০ গ্রাম ) ১০ লিটার পানিতে  মিশিয়ে ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করুন । স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সবজি বিষাক্ত থাকবে।
  • মোজাইক ভাইরাস রোগ- জমিতে সাদা মাছি দেখা গেলে (বাহক পোকা) ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয়  কীটনাশক (যেমনঃ এডমায়ার অথবা টিডো ১০ মি.লি. ২ মুখ ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে। সকাল বেলা গাছে ছাই ছিটিয়ে দিলে এই পোকা গাছ থেকে পড়ে যাবে৷

সতর্কতাঃ  বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যাবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখুন। বালাইনাশক প্রয়োগ করা জমির ফসল কমপক্ষে সাত থেকে ১৫ দিন পর বাজারজাত করুন। বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যাবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন। ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না।

ফলনঃ জাত ভেদে শতক প্রতি ফলন ৬০ – ৭০ কেজি।

সংরক্ষনঃ ছায়ায় সংরক্ষণ করুন। মাঝে মাঝে পানি ছিটিয়ে দিন। বেশি দিন সংরক্ষণ এর জন্য হিমাগারে রাখুন।

৫️⃣ বীজের সংখ্যা
📦 ইন্টেক প্যাকেটে বীজের পরিমাণ : ৫০ গ্রাম ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “জাপানিজ খাটো ও ঝোপালো জাতের ঢেঁড়স বীজ এর ইন্টেক প্যাকেট”

Your email address will not be published. Required fields are marked *