Sale!

১০০% অরিজিনাল , ঘি ঘ্রাণযুক্ত “উরি উরি” মরিচ বীজের ইন্টেক প্যাকেট

Original price was: ৳ 600.Current price is: ৳ 390.

এই মরিচের স্পেশাল কিছু বৈশিষ্ট্যঃ

  • একটি গাছে অসংখ্য মরিচ ধরে।
  • সঠিক পরিচর্যায় সারা বছর ফলন পাবেন।
  • পোকা মাকড় ও রোগবালাই এর আক্রমণ কম।
  • 🔥 ঘিয়ের সুবাসে ভরপুর “উরি উরি” মরিচ! এবার চাষ হবে আপনার বাগানেই! 🌶️
  • ​দক্ষিণ আমেরিকার গায়ানা থেকে আসা বিশ্বখ্যাত “উরি উরি মরিচ” (Wiri Wiri Pepper) এখন আমাদের বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। আমাদের দেশে অনেকে একে ভালোবেসে “ঘি মরিচ” নামেও ডাকেন।
  • মাত্র ৪ থেকে ৮ লিটার এর বালতিতে খুব সহজেই জৈব সার দিয়ে চাষ করতে পারবেন।
  • ​ঝাল ও স্বাদের দারুণ কম্বিনেশন: এর ঝালের মাত্রা (SHU) প্রায় ১,০০,০০০ থেকে ১,৫০,০০০ পর্যন্ত। শুধু ঝালই নয়, এর চমৎকার ফ্রুটি ও টক-মিষ্টি ফ্লেভার খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।
  • শুধু মাসে একবার খৈল পচা পানি দিলেও এই গাছে অসাধারণ ফলন পাওয়া সম্ভব।
  • এই জাতের মরিচ অতিবৃষ্টিতেও টিকে থাকে। সহজে রোগে আক্রান্ত হয় না। চাইলে এই মরিচ বারান্দা তেও চাষ করতে পারবেন।
  • বারবার কীটনাশক ব্যবহার না করেও ভালো ফলন পেতে পারেন । পোকামাকড় আর রোগবালাইয়ের ঝামেলা কমাতে চাইলে এই জাত ট্রাই করতে পারেন।
  • প্রতিকূল আবহাওয়াতেও ভালো থাকে বলে এই জাতটি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। মাত্র ২ মাসেই ফুল, আর ৩ মাসের মধ্যেই মরিচ! এত দ্রুত ফলন খুব কম জাতেই পাওয়া যায়।

আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?

  • Done পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • Done সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
  • Done সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি

এক নজরে মরিচ চাষ

বপনের সময়ঃ খরিফ-১ মৌসুমে: ১-৩০ ফাল্গুন (১৫ ফেব্রুয়ারি-১৫ মার্চ)। খরিফ-২ মৌসুমে: শ্রাবণ-ভাদ্র (১৫ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর)। রবি মৌসুমে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর উপযুক্ত সময়।

চাষপদ্ধতিঃ মাটির প্রকার ভেদে ৪-৬ টি চাষ ও মই দিতে হবে। প্রথম চাষ গভীর হওয়া দরকার। সেচের  জন্য ১২  ইঞ্চি  প্রশস্ত নালা থাকবে। সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে। লাইন  থেকে লাইন ২৪ -২৮ ইঞ্চি  এবং চারা থেকে চারা ১২ -১৬  ইঞ্চি  দূরে লাগাতে হবে।

বীজের পরিমানঃ  জাত ভেদে শতক প্রতি ১০-১৫ গ্রাম ।

সার ব্যবস্থাপনাঃ

সারের নাম শতক প্রতি সার
গোবর ৪০ কেজি
ইউরিয়া ১.৬ কেজি
টিএসপি ১ কেজি
পটাশ ৬০০ গ্রাম
জিপসাম ২০০ গ্রাম

গোবর, টিএসপি, জিপসাম ও বোরন সম্পূর্ণ এবং এমওপি ৫০ কেজি শেষ চাষের সময় জমিতে মিশিয়ে দিতে হবে। সম্পূর্ণ ইউরিয়া এবং বাকী এমওপি সমান ৩ কিস্তিতে  ২৫, ৫০ এবং ৭৫ দিন পর পর জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। এমওপি সেচের পূর্বে গাছের গোঁড়া থেকে ১০-১৫ সেমি দূরে প্রয়োগ করে নিড়ানি দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

সেচঃ জমিতে রসের অভাব হলে সেচ দিতে হবে ও পানি নিকাশের ব্যবস্থা রাখতে হবে। সেচের পর চটা ভেঙ্গে দিতে হবে। শীত ও খরার সময় জমিতে ১৫ দিন পর পর পরিমিত পরিমানে সেচ দিতে হবে। ফুল আসার সময় এবং ফল বড় হওয়ার সময় জমিতে পরিমান মত আদ্রতা রাখতে হবে ।

আগাছাঃ আগাছা দমনের জন্য জমি চাষ ও মই দিয়ে ভালোভাবে আগাছা পরিষ্কার, বিশুদ্ধ বীজ ব্যবহার এবং পরিষ্কার কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার। ফসল বোনার ২৫-৩০ দিনের মধ্যে আগাছা বাছাই করতে হবে। সেচ দেয়ার আগে আগাছা বাছাই করতে হবে।

আবহাওয়া ও দুর্যোগঃ অতিবৃষ্টির কারনে জমিতে পানি বেশি জমে গেলে নালা তৈরি করে তাড়াতাড়ি পানি সরানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। রবি মৌসুমে নিম্ন তাপমাত্রা (১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নীচে) থেকে চারা রক্ষার  জন্য বীজতলা ঢেকে রাখতে হবে।

 পোকামাকড়ঃ

ফলছিদ্রকারী পোকা দমনে থায়ামিথক্সাম+ক্লোরানিলিপ্রল জাতীয় কীটনাশক (যেমন ভলিউম ফ্লেক্সি ৫ মিলিলিটার  অথবা ১মুখ) অথবা সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক (যেমন ওস্তাদ ২০ মিলিলিটার  অথবা ম্যাজিক অথবা কট ১০ মিলিলিটার) প্রতি ১০লিটার পানিতে  মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০-১২ দিন পরপর ২/৩ বার।

জাব পোকা দমনে  ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার। ঔষধ স্প্রে করায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

ক্ষুদে মাকড়ের  আক্রমণ সালফার গ্রুপের (কুমুলাস ডিএফ বা রনোভিট ৮০ ডব্লিউজি বা থিওভিট ৮০ ডব্লিউজি বা সালফোলাক ৮০ ডব্লিউজি, ম্যাকসালফার ৮০ ডব্লিউজি বা সালফেটক্স ৮০ ডব্লিউজি) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২৫০ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

সাদা মাছি দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।

রোগবালাইঃ

পাতা পচা এবং গোড়া পচা রোগ দমনে কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- নোইন অথবা এইমকোজিম ২০ গ্রাম)  প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে। গোঁড়া পচা রোগের ক্ষেত্রে মাটি ভিজিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।

এনথ্রাকনোজ দমনের জন্য কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন- নোইন অথবা এইমকোজিম ২০ গ্রাম)  প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে ১২-১৫ দিন পর পর ২-৩ বার ভালভাবে স্প্রে করতে হবে অথবা প্রোপিকোনাজল জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন টিল্ট ৫ মিলি/ ১ মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে  ১০-১২ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে ।

পাতায় হলদে মোজাইক রোগের বাহক পোকা (জাবপোকা) দমনে ইমিডাক্লোরোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন এডমায়ার অথবা টিডো ৭-১০ মিলিলিটার / ২মুখ) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতকে স্প্রে করতে হবে ১০ দিন পরপর ২/৩ বার।

সতর্কতাঃ  বালাইনাশক/কীটনাশক ব্যবহারের আগে বোতল বা প্যাকেটের গায়ের লেবেল ভালো করে পড়ুন এবং নির্দেশাবলি মেনে চলুন। ব্যবহারের সময় নিরাপত্তা পোষাক পরিধান করুন।ব্যবহারের সময় ধূমপান এবং পানাহার করা যাবে না। বালাইনাশক ছিটানো জমির পানি যাতে মুক্ত জলাশয়ে না মেশে তা লক্ষ্য রাখুন। বালাইনাশক প্রয়োগ করা জমির ফসল কমপক্ষে সাত থেকে ১৫ দিন পর বাজারজাত করুন।

ফলনঃ  জাত ভেদে শতক প্রতি ফলন ৪০-৫০ কেজি।

সংরক্ষনঃ মরিচ   শুকানোর পর ছায়াযুক্ত স্থানে ঠান্ডা করতে হবে। ছয় মাস হতে ১ বছর পর্যন্ত মরিচ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে টিনের পাত্র, পলিব্যাগ, মাটির পাত্র, ডুলি বা ছালার ব্যাগ ব্যবহার করা হয়। দ্বিস্তরবিশিষ্ট পলিথিনের ব্যাগ ও টিনের পাত্রে পলিথিন দিয়ে মরিচ রাখলে রং ও গুনগত মান ভাল থাকে। সংরক্ষিত মরিচ মাঝে মাঝে রৌদ্রে দিলে ভাল থাকে। মরিচ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বোটা যেন মরিচ থেকে আলাদা না হয়, সেদিকে খেয়ার রাখতে হবে।

 

টবে সহজে মরিচের চাষ করবেন যেভাবে

স্থান নির্ধারণ : আপনার বাসার বারান্দায় বা ছাদে এমন একটি স্থান বেছে নিন যেখানে আলো বাতাস আছে। মরিচ ছায়ায়ও ভালো হয়, তবে মাঝে মধ্যে রোদে দিতে হবে বা জানালার কাছে রাখতে হবে।

টব ছাদে অথবা বারান্দায় মরিচ চাষের ক্ষেত্রে মাটি অথবা প্লাস্টিকের টব ব্যবহার করা উত্তম। এছাড়া পলিব্যাগ, টিনের কৌটা বা প্লাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করা যেতে পারে। মরিচ গাছের জন্য মাঝারি আকৃতির টব হলেই চলে। মাঝারি আকৃতির টবে চারটি মরিচ গাছের চাষ করা সম্ভব।

মাটি প্রস্তুত  মরিচ চাষের জন্য দোআঁশ মাটি সবচেয়ে উপযুক্ত। এছাড়া সামান্য ক্ষারীয় মাটি ব্যবহার করা যেতে পারে। দোআঁশ মাটির সাথে জৈব সার ভালো করে মিশিয়ে টবভর্তি করুন। টবের এই মাটিতে যথেষ্ট পানি দিন, যাতে মাটি ভেজা ভেজা থাকে। এবং লক্ষ্য রাখুন মাটি যেন একেবারে শুকিয়ে না যায়। এবং আর্দ্র স্থানে রাখুন।

বীজ রোপণ মরিচের বীজ বপন করার আগে বীজকে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সাধারণত মরিচ চাষের উপযুক্ত সময় হলো মে-জুন। এছাড়া শীতকালের শুরুতে অক্টোবর মাসেও মরিচের বীজ বপন করা যায়। এসময় বীজ বপন করলে মরিচের ভালো ফলন পাওয়া যায়।বীজ বপনের ক্ষেত্রে টবের অথবা উপযুক্ত পাত্রের মাটিতে শুকনা বীজ ছড়িয়ে দিন বা বুনে দিন। কিছুদিন পরে দেখা যাবে বেশকিছু চারা গাছ গজিয়েছে। সেখান থেকে শক্তিশালী চারাগুলো রেখে বাকি চারাগুলো উপড়ে ফেলুন। শুকনো মরিচের ভেতরে যে বীজ থাকে সেগুলোও বের করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

পরিচর্যা প্লাস্টিকের কনটেইনার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয়ার জন্য আগেই কনটেইনারটিতে কয়েকটি ছোট ছিদ্র করে নিতে পারেন। মরিচ গাছের গোড়ায় দিনে একবার অবশ্যই পানি দেবেন। এবং সবসময় সঠিক নিয়মে পরিমাণ মতো পানি দিন। পানি দিলে অনেক সময় গাছ হেলে যেতে পারে; তাই গাছের গোড়ায় কোনো কাঠি বেঁধে দিন। গাছে পানি দেয়ার সময় লক্ষ্য রাখুন পাতা যেন ভিজে না যায়। পাতা ভিজে গেলে রোগবালাই হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। পানি জমে গাছ মারা যেতে পারে; তাই টবের থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন।যখন মরিচের চারা বড় হয় সে সময়ে মাটিকে আর্দ্র রাখাটা খুবই জরুরি। যথেষ্ট আলো বাতাস ও পানির প্রয়োজন হয় মরিচ গাছ বাড়ার জন্য। এদের ছাদে, বারান্দা অথবা জানালার পাশের রৌদ্রোজ্জ্বল স্থানটিতে রাখুন। খুব বেশি রোদ যেন না লাগে। সকাল অথবা বিকালে মরিচ গাছের যত্ন নিন।মরিচের কচি চারার ডগা খাবার জন্য সমাগম হয় পিঁপড়ে এবং ছোট ছোট পাখির। এটা তাদের খুবই প্রিয় খাবার। তাই পিঁপড়া থেকে বাঁচার জন্য টবের চারপাশে কীটনাশক চকের দাগ দিয়ে রাখতে পারেন অথবা পাউডারজাতীয় কীটনাশক দিতে পারেন। এবং পাখির হাত থেকে বাঁচার জন্য শক্ত নেট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া পানিতে কয়েক ফোটা তরল সাবান মিশিয়ে মরিচ গাছে স্প্রে করতে পারেন। অথবা পোকা মারা কীটনাশক ব্যবহার করুন।

অতিবৃষ্টিতে ছাদ বাগানে মরিচ গাছের পরিচর্যা

মরিচ গাছ অতিরিক্ত পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় কয়েকদিন পানি জমে থাকলে বা একটানা সপ্তাহখানেক বৃষ্টির পানি পেলে শিকড় পচে যায়। তখন শিকড় দ্ধারা গাছ পানি ও খাবার নিতে পারে না। ফলে গাছ মারা যায়। তাই আপনার শখের মরিচ গাছগুলো মারা যাবার হাত থেকে রক্ষার জন্য কিছু পরিচর্যা জরুরী।

১। মরিচের টবে পানি নিষ্কাশনের উন্নত ব্যবস্থা রাখতে হবে। গাছ রোপণের আগে টবের নিচে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছিদ্র করতে হবে। ছিদ্রের উপরে এক-দেড় ইঞ্চি ইটের খোয়া ও এক-দেড় ইঞ্চি বালি দিতে হবে।এরপর জৈবসার মিশ্রিত মাটি দিয়ে টব ভরাট করতে হবে। যদি আপনার টবটিতে পানি নিষ্কাশনের ভালো ব্যবস্থা না থাকে তাহলে টব পরিবর্তন করে দিতে পারেন।

২। টবের নিচে ইট বা অন্য কিছু দিয়ে উঁচু করে দিতে হবে যাতে নিচে ফাঁকা থাকে। এতে পানি নিষ্কাশনে সুবিধা হবে ও প্রয়োজনীয় আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারবে।

৩। একটানা বৃষ্টি চলাকালীন সময়ে সবগুলো মরিচ গাছ একসাথে করে পলিথিন বা ত্রিপল বা অন্যকিছু দিয়ে চালা তৈরি করে সেখানে রাখতে পারেন। এতে গাছগুলো ভালো থাকবে। রৌদ্রজ্জ্বল দিনে চালা সরিয়ে দিলেই চলবে।

৪। বৃষ্টি থেমে গেলে টবের মাটি খুঁচিয়ে আলগা করে দিতে পারেন। এতে অতিরিক্ত পানি চলে যাবে।

৫। চালা দেয়া সুব্যবস্থা না থাকলে গাছগুলো সিড়ি কোঠা বা বারান্দা বা ঘরে নিয়ে রাখতে পারেন। কোন কারণে বেশি পানি হয়ে গেলে ফ্যানের নিচে রেখে মাটি আলগা করে দিতে পারেন।

৬। গাছের পাতা মাইটের আক্রমণে কুঁকড়িয়ে থাকলে সেগুলো ভেঙ্গে দিয়ে ইকোম্যাক বা ভার্টিমেক স্প্রে করতে পারেন। গাছের মরা পাতা, শুকনা ডাল ইত্যাদি ছেঁটে দিলে ভালো হয়।

এভাবে যত্ন করলে আশা করি অল্প দিনের মধ্যেই আপনার গাছগুলো স্বাস্থ্য ভালো হয়ে ফলবান হয়ে উঠবে।

 

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “১০০% অরিজিনাল , ঘি ঘ্রাণযুক্ত “উরি উরি” মরিচ বীজের ইন্টেক প্যাকেট”

Your email address will not be published. Required fields are marked *