Sale!

থাই F1 হাইব্রিড জাতের লাল ঢেঁড়স বীজ এর মিনি প্যাকেট ( ছোট বাগানীদের জন্য )

Original price was: ৳ 120.Current price is: ৳ 90.

👉 খুব সহজে ৪ থেকে ৫  লিটার এর বালতিতে  ছাদবাগানীরাও চাষ করতে পারবেন।

📦 মিনি প্যাকেটের বীজের পরিমাণ : ২০ থেকে ২৫ পিস বীজ

  • • আগাম ও উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাত।
    • গাছ আকারে ছোট এবং প্রতিটি গিঁটে ফল ধরে।
    • ফলের রং গাঢ় লাল।
    • প্রতিটি ফলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪–৫ ইঞ্চি।
    • মোজাইক ও লিফ কার্ল ভাইরাসের প্রতি সহনশীল।
    • ফল দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
    • প্রতি একরে প্রায় ১০–১২ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়।
    • বপনের ৪৫–৫০ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়।

আমাদের থেকে কেন পণ্য নিবেন ?

  • Done পণ্য হাতে পেয়ে মূল্য পরিশোধের সুবিধা
  • Done সঠিক পণ্য না পেলে রিটার্ন করে দিবেন
  • Done সঠিক সময়ে ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যে হোমডেলিভারি

এই উন্নত জাতের লাল ঢেঁড়স বীজ এর বৈশিষ্ট্যঃ

১. বপনের সময়: সারা বছর চাষ করা যায়।

২. গাছের বৈশিষ্ট্য: গাছ আকারে ছোট এবং প্রতিটি গিঁটে (নোডে) ফল ধরে।

৩. ফলের রং: ফলের রং গাঢ় লাল।

৪. ফলের আকার: প্রতিটি ফলের দৈর্ঘ্য প্রায় ৪–৫ ইঞ্চি।

৫. রোগ সহনশীলতা: মোজাইক ও লিফ কার্ল ভাইরাসের প্রতি সহনশীল।

৬. সংরক্ষণ ক্ষমতা: ফল দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।

৭. ফলন: প্রতি একরে প্রায় ১০–১২ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া যায়।

৮. ফল সংগ্রহের সময়: বপনের ৪৫–৫০ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়।

শাকসবজি উৎপাদনের জন্য জমি বা বাগানই শ্রেষ্ঠ জায়গা। তবে যারা শহরে বাস করে তাদেরও শাকসবজি উৎপাদনের রয়েছে প্রচুর সুযোগ-সুবিধা। শহরের বাসা-বাড়ির ছাদে বা বারান্দায় বড় বড় টবে, মাটির চাঁড়িতে, ড্রামে কিংবা একমুখ খোলা কাঠের বাক্সে সারমাটি ভরে অনায়াসেই ঢেঁড়শ চাষ করা যায়।

ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে, তাছাড়া ভিটামিন -এ সহ অন্যান্য উপাদানও কিছু কিছু রয়েছে। বাংলাদেশে যে কোন সময় ঢেঁড়শ লাগানো যায়।

টবের মাটি:
গাছের বৃদ্ধি এবং ঢেঁড়শের ভাল ফলনের জন্য মাটি অবশ্যই উর্বর, হালকা এবং ঝুরঝুরে হতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে টবের মাটিতে যেন ফেটে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরা রাখতে হলে সমপরিমাণে দো-আঁশ মাটি ও জৈব সার একসাথে ভালভাবে মেশাতে হবে। এঁটেল মাটিতে জৈব সারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। সাধারণভাবে প্রতি টবের মাটিতে চা চামচের চার চামচ টিএসপি সার ও ৫ থেকে ৬ দিন আগে ভেজানো ১১৬ গ্রাম পরিমাণ সরিষার খৈল মেশানো যেতে পারে।

সময়:
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত অর্থাৎ বছরের সব সময়ই ঢেঁড়শ গাছ লাগানো যায়। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শীতের শেষভাগ থেকে বৈশাখ পর্যন্ত ঢেঁড়শ লাগানো যায়। এরপরও লাগানো যায় তবে নাবী ফসলে মোজাইক রোগ হয় বলে ফলন ভাল হয় না।

বীজ বপন:
ঢেঁড়শের চারা রোপণকালীণ সময় আঘাত সহ্য করতে পারে না বলে সরাসরি মূল টবে বুনতে হবে। ঢেঁড়শের জন্য মাঝারী ধরণের টব হলেই চলবে। প্রতি টবে ২ থেকে ৩টি বীজ বুনে দিতে হয়। চারা গজানোর পর একটি সবল চারা রেখে বাকিগুলো ফেলে দিতে হয়। খোসা শক্ত বলে ঢেঁড়শের বীজ দেরীতে গজায়। তাই বুনার আগে ২৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

পরিচর্যা:
ঢেঁড়শ গাছ পানি সহ্য করতে পারে না। গাছের গোড়ায় দাঁড়ানো পানি তাড়াতাড়ি সরিয়ে দিতে হবে। প্রত্যেকটা টবে পানি যাতে না বেধে থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে।

গাছ ১০ থেকে ১২ সেঃ মিঃ বড় হলে টবের কিনার ঘেঁসে ১ চা চামচ ইউরিয়া ও ১ চা-চামচ মিউরেট অব পটাশ মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।

রোগবালাই:
শুঁয়া পোকা কচি কাণ্ড ছিদ্র করে গাছের ক্ষতি করে। ভাইরাস (মোজাইক) রোগ ঢেঁড়শে প্রায়ই দেখা যায়। এ রোগে পাতা হলদে হয়ে কুঁচকে যায়। রোগাক্রান্ত গাছ তুলে মাটিতে পুঁতে দিতে হয়। শুঁয়া পোকার আক্রমণ থেকে ঢেঁড়শ গাছকে বাঁচাতে হলে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিঃ লিঃ ডায়াজিনন-৮০, নুভাক্রণ-৪০, একালাক্স-২৫ এর যে কোনটি অথবা ১ লিটার পানিতে ১ মিলি লিটার সিমবুশ-১০ মিশিয়ে সপ্রে করতে হবে।

ফসল সংগ্রহ:
বীজ বপনের ৩৫–৩৮ দিনের মধ্যেই ফল সংগ্রহ করা যায়।। কচি অবস্থায় ঢেঁড়শ তুলতে হয়। দেরি হলে ফল শক্ত হয়ে যায় ও সেটা খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে যায়। ঘন ঘন ঢেঁড়শ তুললে গাছে বেশি পরিমাণে ঢেঁড়শ আসে।

৫️⃣ বীজের সংখ্যা
📦 মিনি প্যাকেটের বীজের পরিমাণ : ২০ থেকে ২৫ পিস বীজ

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “থাই F1 হাইব্রিড জাতের লাল ঢেঁড়স বীজ এর মিনি প্যাকেট ( ছোট বাগানীদের জন্য )”

Your email address will not be published. Required fields are marked *